ব্রেনের এই ১১টি তথ্য জানেন কি?

 

১.খায় বেশি কিন্তু ওজন কম!

 একটি স্বাভাবিক মানব মস্তিষ্কের ওজন পুরো দেহের ওজনের মাত্র ২ শতাংশ। কিন্তু মস্তিষ্ক দেহের পুরো শক্তি ও অক্সিজেনের ২০ শতাংশ একাই ভোগ করে।

 

২. মস্তিষ্কের প্রায় পুরোটাই পানি

 মস্তিষ্কের প্রায় ৭৩ ভাগই পানি। আপনার মনোযোগ, স্মৃতি সংরক্ষণ ও জ্ঞানীয় কর্মকাণ্ডের জন্য এটি মাত্র ২ শতাংশ জলবিয়োজন ঘটায়।

৩. মস্তিষ্কের ওজন কত?

 

একটি স্বাভাবিক মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। ওজনের ৬০ ভাগই চর্বি। মানবদেহের সবচেয়ে বেশি চর্বিযুক্ত অঙ্গ হল মস্তিষ্ক। দেহের ২০-২৫ শতাংশ কোলেস্টেরল থাকে মস্তিষ্কে। কোলেস্টেরল এর ঘাটতি থাকলে ব্রেন কোষ মারা যায়।

৪. মস্তিষ্কের কোষের সংখ্যা শুনে ভড়কে যাবেন না তো!

 মস্তিষ্কে ৮৬ বিলিয়ন পর্যন্ত কোষ থাকতে পারে

৫. নিউরোনের ক্ষমতার কাছে সুপার কম্পিউটারও অসহায়!

 

এক একটি নিউরন প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজারের বেশি সিগন্যাল পাঠাতে পারে এবং ১০ হাজারেরও বেশি নিউরন কোষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। শস্য দানা পরিমাণ এক টুকরো ব্রেন-কোষে ১ লাখের মতো নিউরন এবং ১ বিলিয়ন সাইন্যাপস থাকে, এরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতেই থাকে।

৬. অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয় যদি?

 নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ থাকতেই হবে। ৫ মিনিট অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ থাকলে বেশ কিছু ব্রেন-কোষ এর মৃত্যু ঘটবে। যার ফলে মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাবে।

৭. তরুণদের ব্রেন পরিপক্ক নয় মোটেও

 তরুণদের ব্রেন পরিপক্ক নয়। তাই তাদের ভুলের ব্যাপারে সাবধান। কারণ মানব মস্তিষ্ক ২৫ বছরের আগে পরিপক্কতা অর্জন করে না।

৮. ফরমুলা ১ রেসিং কার আপনার মাথার মধ্যে!

অবাক হচেছন? হ্যা, আপনার মাথার মধ্যে ফরমুলা ১ রেসিং কারের চেয়েও গতিশীল যান আছে, যারা ঘণ্টায় ২৬৮ মাইল বেগে ব্রেন-তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে।

৯. আপনার মস্তিষ্কে কিন্তু বিদ্যুৎ কেন্দ্রও আছে!

হ্যা, আপনার ব্রেন ১২-২৫ ওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুত উৎপন্ন করতে সক্ষম। যা দিয়ে লো-ওয়াটের একটি এলইডি লাইট জ্বালিয়ে রাখা সম্ভব।

১০. র‍্যানডম থট জেনারেটর(দৈবচয়নে চিন্তা উৎপাদক)

একটি কারণে মস্তিষ্ককে বলা হয় র‍্যানডম থট জেনারেটর। অর্থাৎ মস্কিষ্ক দিনে প্রায় ৫০ হাজার চিন্তা তৈরি করতে পারে।

১১.  ছবি দেখতে কতক্ষণ লাগে?

শুধু চোখ দিয়ে কি ছবি দেখা সম্ভব? কখন-ই নয়। কারণ মস্তিষ্ক প্রক্রিয়া না করলে আপনি কখনোই ছবি দেখতে পারবেন না। চোখ দিয়ে তাকানোর পর সেই ছবিটি প্রক্রিয়া করে দশনউপযোগি করতে মস্তিষ্কের সময় লাগে মাত্র ১৩ মিলি সেকেন্ড। চোখের পলক ফেলতে যতক্ষণ লাগে তার চেয়েও কম সময়।

আমাদের নিউজস্টোরি ভালো লাগলে আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার টাইমলাইন এ শেয়ার করুন। অন্যদেরকেও জানার সুযোগ দিন। আর এরকম আরো নিউজস্টোরি পেতে আমাদের পেজ এ লাইক দিন।

our Facebook Page

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *