উত্তর কোরিয়ার এক বোমায় আমেরিকা শেষ!

কালপ্রবাহ: পৃথিবীর মানচিত্র থেকে আমেরিকার মুছে যেতে উত্তর কোরিয়ার একটি বোমা-ই যথেষ্ট। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া এমন এক ভয়াবহ সুপার ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক পালস্ বোমার পরীক্ষা চালিয়েছে, যা দিয়ে পুরো আমেরিকা নিশ্চিহ্ন করে দেয়া সম্ভব বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞ মহল। মহাকাশ থেকে নিক্ষেপ করা হলে এই বোমায় যুক্তরাষ্ট্রের ৯০ শতাংশ লোক মারা যাবে।

মহাকাশ থেকে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই সুপার ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক পালস্ এর ধ্বংসাত্মক পরিণতির সূচনা করা হয়। ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক এই বোমার আক্রমণে ধসে পড়তে পারে আমেরিকার পুরো বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। আক্রমণের ভয়াবহতা এতটাই তীব্র যে, মজুদ করা খাবার তিন দিনেই সাবাড় হয়ে যাবে।  বিদ্যুতের অভাবে গুদামজাত সব খাবার পচে যেতে শুরু করবে।
তবে ওয়াশিংটন উত্তর কোরিয়ার এই হুমকি গায়ে মাখেনি। হাওয়া উড়িয়ে দিয়েছে এই সম্ভাবনাকে।

নিউক্লিয়ার ইমএমপি কী?

ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক পালস্ (ইএমপি) হল এক ধরনের সংক্ষিপ্ত বিস্ফোরণ যার ফলে ব্যাপক হারে পারমাণবিক বিকিরণ ঘটতে শুরু করবে। এটা প্রাকৃতিকও হতে পারে, আবার মানুষের তৈরিও হতে।
ইএমপি এমন ভয়াবহ ও তীব্র ক্ষমতাসম্পন্ন তেজস্ক্রিয় তরঙ্গ উৎপন্ন করে যা সহজেই বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম। এমনকি বিকলও করে দিতে সক্ষম।
২৪৯ মাইল উচ্চতায় এই বোমা নিক্ষেপ করা হয়ে আমেরিকার অধিকাংশ অঞ্চলই ধ্বংসের মুখে পড়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। যত বেশি উচ্চতা থেকে এর বিস্ফোরণ ঘটানো হবে, এর ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণও ততো বেশি হবে।
দেশটির ১৯ মাইল উচ্চতা থেকে নিক্ষেপ করা হলে কানসাস ও নেব্রস্কার পুরোটা এবং সাউথ ডেকোটার অধিকংশ অঞ্চল এবং আশেপাশের রাজ্যগুলোও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে একই সময়ে ৫ হাজার বিমান চলাচল করে। আর এসব বিমানে অন্তত ৫ লাখ যাত্রী থাকে। ইএমপি’র বিস্ফোরণ ঘটানো হলে পুরো এয়ারলাইন ধসে পড়বে শুধু বিদ্যুতের অভাবে। অধিকাংশ যাত্রী-ই মারা যাবে।
আমাদের নিউজস্টোরি ভালো লাগলে আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার টাইমলাইন এ শেয়ার করুন। অন্যদেরকেও জানার সুযোগ দিন। আর এরকম আরো নিউজস্টোরি পেতে আমাদের পেজ এ লাইক দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *